| ‹ পুরোনো ব্লগ | সব ব্লগ | নতুন ব্লগ › |
Loose Change আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংসের উপরে একটি প্রামান্য চিত্র। এর সাথে আছে কিছু বিশ্লেষণ। এতে বেরিয়ে আসছে যে - বুশ প্রশাসনের দেয়া ব্যাখ্যার অসারতা। দুই টাওয়ার ধ্বসে পড়ায় জেট ফুয়েলের কোন ভূমিকা নেই। ওগুলো আগে থেকে পেতে রাখা বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে প্রশাসনের লোকজনের ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির জন্য। এটাকে কনস্পিরেসি থিওরীও বলা হয়।
ডকুমেন্টারিটা গুগল ভিডিওতে দেয়া আছে। মোট দুই ঘন্টা নয় মিনিট। ঢাকার বাজারে (ইস্টার্ন প্লাজা, বসুন্ধরা সিটি) খুঁজে ফারেনহাইট ৯১১ ইত্যাদি পেলাম কিন্তু ঐ লুজ চেঞ্জ পেলাম না। কেউ কি জানেন ঢাকার বাজারে এটা ডিভিডি আকারে পাওয়া যায় কি না .... পাওয়া গেলে কোথায়?
সংক্ষেপে ঐ বিশ্লেষণের চুম্বক অংশগুলো তুলে ধরি। (দেশের বাইরে থাকার সময় ইন্টারনেটের কল্যানে দেখেছিলাম একাধিকবার)
১. প্রথম প্রশ্ন আসে যে ঐ সময়ে বিল্ডিং-৭ কেন একই ভঙ্গিতে ভেঙ্গে পড়লো। টুইন টাওয়ার কম্পাউন্ডে মোট ৭টি বিল্ডিং ছিল। এর মধ্যে টুইন টাওয়ার দুটি এবং বিল্ডিং-৭ মোট ৩টি বিল্ডিং একই ভঙ্গিতে ভেঙ্গে পড়ে। বিল্ডিং-৭ ভেঙ্গে পড়ে পরদিন। এটাতে কোন বিমান আঘাত করেনি, তাই জেট ফুয়েল বা অন্য অযুহাত খাটে না। তবে এই বিল্ডিং-এ গোয়েন্দা সংস্থার অনেকগুলো অফিস (এবং রিপোর্ট রক্ষিত) ছিল।
২. বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ার মেকানিজমে বলা হয়েছে - অত্যন্ত তাপে স্টীল স্ট্রাকচার ফেইল করে। একটা ফ্লোর আরেকটার উপরে ভেঙ্গে পড়ে আর এভাবে ধারাবাহিকভাবে পুরা দালান ভেঙ্গে পড়ে।
- এটার বিরূদ্ধে প্রথম যুক্তি হচ্ছে: পুরা বিল্ডিং দুইটা মোট ১১ ও ৯ সেকেন্ডে ভেঙ্গে পড়েছে। টুইন টাওয়ারের ছাদ থেকে অভিকর্ষের প্রভাবে কোন বস্তু পড়লেও সেটা মাটিতে পৌছাতে একই সময় লাগবে। অর্থাৎ পুরা ভবনটি মোটামুটি ফ্রী-ফল বা মুক্ত ভাবে পড়ার গতিতে নেমে এসেছে। এক ফ্লোর ভেঙ্গে আরেক ফ্লোরের উপরে পড়লে এবং তার প্রভাবে ভাঙ্গলে সময় আরেকটু বেশি লাগার কথা।
- বিরূদ্ধে দ্বিতীয় যুক্তি হচ্ছে - জেট ফুয়েলে সৃষ্ট আগুনে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ২০০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট (নাকি সেলসিয়াস) হতে পারে। আর স্টীল স্ট্রাকচার ভেঙ্গে পড়তে হলে কমপক্ষে ৩০০০ ডিগ্রী তাপমাত্রা দরকার। এছাড়া ভেঙ্গে পড়ার সময়ও আগুন লাগা ঐ তলাগুলোর জানালাতে মানুষ সাহায্যের জন্য হাত নাড়ছিল। এত তাপমাত্রায় মানুষের বাষ্পীভূত হয়ে যাওয়ার কথা।
- এছাড়া ভবন দুইটা থেকে কালো ধোঁয়া বের হচ্ছিল, অর্থাৎ আগুন প্রায় নিভু নিভু পর্যায়ে ছিল।
৩. ঐ তিনটি ভবন ছাড়া আগুন লেগে পৃথিবীতে কোন ভবন সম্পুর্ন ভেঙ্গে পড়েনি। (ভাল কথা ভবন-৭ কেন ভেঙ্গে পড়লো ... ওখানে তো জেট ফুয়েলের ছিটেফোটাও পড়েনি)
৪. ৯/১১ এর সকাল বেলাতে ঐ তিন ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্ব নতুন কম্পানির হাতে ন্যাস্ত করা হয়। জানেন কি, ঐ নতুন নিরাপত্তা কম্পানির মালিক কে? জেফ বুশ - জর্জ বুশের ছোট ভাই।
৫. মোট ৭টি বিল্ডিং-এর মধ্যে শুধুমাত্র ঐ তিনটিই একজন মালিকের লিজ নেয়া ছিল। এবং মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই ঐ তিনটি বিল্ডিং-এর নিরাপত্তার জন্য প্রায় আড়াই বিলিওন ডলারের ইন্সুরেন্স করা হয়েছিল যার মধ্যে সন্ত্রাসী হামলার একটা বিশেষ ধারা/অনুচ্ছেদ ছিল।
৬. ফায়ার সার্ভিসের কথোপকথনের টেপ থেকে জানা যায়, ঐ ভবনগুলোর আগুনের অংশগুলোতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী পৌঁছে গিয়েছিল এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে বলে রিপোর্ট করছিল। (- এই টেপ অনেকদিন পর আদালতের নির্দেশে অবমুক্ত করা হয়)
৭. ভবন ভেঙ্গে পড়ার ভিডিওগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখলে দেখা যায় যে যেই তলা ভাঙ্গছে সেই তলা থেকে ৬/৭ তলা নিচের জানালাগুলো থেকে বিষ্ফোরণের ধোঁয়া বেরিয়ে আসছে। (ধারাবাহিক ভাবে)।
৮. এক তলার উপরে আরেক তলা ভেঙ্গে পড়লে খুব জোরে ছিটকে কিছু বাইরে আসার কথা না। কিন্তু আশে পাশের ভবনে অনেক ভারী বস্তুকে গেথে থাকতে দেখা গিয়েছে যেটা বিষ্ফোরণের শক্তি ছাড়া সম্ভব না। (ছড়িয়ে পড়ার জন্য আনুভুমিক বল আসলো কোথা থেকে)
৯. ভবন ভেঙ্গে পড়ার মোট সময়, নিচের ফ্লোরগুলো থেকে ধারাবাহিকভাবে বিষ্ফোরণের ধোঁয়া এবং কেন্দ্রে সুনিয়ন্ত্রিত ভাবে ভেঙ্গে পড়া দেখে বোঝা যায় যে টুইন টাওয়ার এবং ভবন ৭ আগে থেকে পরিকল্পিত ভাবে পুতে রাখা বিষ্ফোরকের সাহায্যে কন্ট্রোল্ড ডিমোলিশনের মাধ্যমে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। (রিপ্লিস বিলিভ ইট অর নট-এ এ ধরণের ভবন ধ্বংস দেখায় মাঝে মাঝেই)
১০. এই ঘটনার ফলে লাভবান হয়েছে কারা (মোটিভ?)। এটাকে অযুহাত বানিয়ে দ্রুত জনগণের সমর্থন নিয়ে ইরাক আক্রমণ করা হয়েছে। আর যুদ্ধ মানেই যুদ্ধাস্ত্র ... আর সেগুলো কেনা হয় সমরাস্ত্র কারখানা থেকে --- ওগুলোর মালিক কে? সরকারী কোষাগারের টাকা সহজেই তাদের পকেটস্থ।
১১. ক্রাইসিস সৃষ্টি করে জনগণের সমর্থন আদায়ের কৌশল অনেক পুরানা রাজনৈতীক কৌশল।
ডকুমেন্টারিটা দেখলে আরো অনেক কিছুই জানতে পারবেন। বিষ্ফোরণের শব্দ বিশ্লেষন দেখানো আছে -- সেটাতেও বিষ্ফোরণ করানো হয়েছে বোঝা যায়।
----------
শেষ কথা: কয়েকজনকে দেখানোর জন্য ডিভিডিটা খুঁজছি।
২
ওয়াও... ধন্যবাদ।
গুগল থেকে দেখেছি। কিন্তু অন্যকে দেখানোর মত ইন্টারনেট স্পীড নাই এখানে। দেখি রেপিডশেয়ার বাবু কী বলে ![]()
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
৩
৪
![]()
[url=http://en.wikipedia.org/wiki/Loose_Change_(video)]উইকিপিডিয়া বলে[/url] এটা একটা ইন্টারনেট ব্লক বাস্টার। ডিভিডি পাওয়া যায় - ডিভিডি কভাররের ছবিও দিয়েছে। উইকিতে অবশ্য স্বাভাবিকভাবে বিরূদ্ধের কথাই বেশি।
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
৬
মনে আছে টুইন টাওয়ারে প্রথম প্লেনটা যখন ক্র্যাস করে তখন আমি msn এ কথা বলছিলাম, এক বন্ধু খবরটা দিলে দৌড়ে গিয়ে টিভি ওন করে দেখি এই অবস্থা, তার কিছু পরই লাইভ দ্বিতীয় প্লেনটা ক্র্যাস করতে দেখি ![]()
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে
৭
এই যদি হয় ঘটনা, তাহলে ভাবতে হয়, আমাদের মনোজগত, আমাদের রাজনৈতিক দর্শন, আমাদের মুসলমান ভীতি, ইরাক-আফগানিস্তান, সোমালিয়া, সুদানে হামলা এবং বিশ্বব্যাপী মার্কিন ঘাঁটি, গুয়ান্তানামো, সিভিল রাইটসের বিলুপ্তিসহ এই আদি কারণ (এক নতুন বিগ ব্যাং) থেকে যে নতুন বিশ্ব সৃষ্টি করা হলো তার দায় কে নেবে? এজন্যই অন্যত্র আমি বলেছিলাম মিডিয়া পারসিভড রিয়ালিটি, আসল রিয়ালিটি নয়।
এ নিয়ে গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বরে সমকালে আমি একটা নিবন্ধ লিখেছিলাম নয়টি মিথ্যা ও একটি সম্ভাবনা নামে। সেখানেও এরকম নয়টি সন্দেহ তুলেছিলাম।
পুনরুক্তি না করে তার থেকে কিছু এখানে তুলে দিচ্ছি :
১. যে উত্তাপে ইস্পাত গলে যমজ মিনারের আগুনের উত্তাপ তার থেকে অনেক কম ছিল। সাধারণত কোনো ভবন ধসে গেলে তা কোনো একদিকে হেলে পড়ে। কিন্তু সেটি ঘটেনি। বরঞ্চ পরিকল্পিতভাবে যেভাবে আশপাশের ভবনের ক্ষতি না করে বড় বড় ভবন ভেঙে ফেলা হয়, যমজ মিনারের বেলাতেও তাই ঘটেছে। সেখানকার উদ্ধারকর্মীসহ বেশ কিছু প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, ধসে পড়ার আগে যমজ মিনারের বেসমেন্ট থেকে পরপর কয়েকটি বিষ্ফোরণের শব্দ পেয়েছেন এবং কমলা-লাল আলো দেখেছেন।
বিমান দুটিকে আঘাত হানতে দেওয়া হয়েছে, যাতে তা মূল কারণকে আড়াল রাখে। সেই কারণ হচ্ছে বিমান যেখানে আঘাত করেছে তার অনেক নিচে বিষ্ফোরকের ব্যবহার। তাই ভেঙে পড়ার আগে একটুও না কেঁপে ঠিক একটি তলার ওপর আরেকটি তলা খাড়াখাড়ি পড়ে গেছে। এটা করার জন্য প্রয়োজন হয় উঁচু মাত্রার প্রকৌশলগত জ্ঞান ও বিষ্ফোরকের সুক্ষ্ম ব্যবহার। যমজ মিনারের স্থপতিদের একজন বলিন বলেছেন, ‘ভবনটির নকশা এমনভাবে করা হয়েছিল যাতে বোমা, বিমানের ধাক্কা, হারিকেনসহ যে কোনো আঘাত মোকাবেলা করতে পারে।’
২. দুটি বিমান ছিনতাই হলে সঙ্গে সঙ্গেই তা বোঝার মতো ব্যবস্থা থাকলেও তাদের যমজ মিনারে আঘাত করায় কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে ছিনতাই হওয়ার পরে বিমান দুটির টুইন টাওয়ারে পৌঁছতে সময় লেগেছে প্রায় ৪০ মিনিট বা তারও বেশি। এত লম্বা সময় কেন একটি মার্কিন বিমানও বাধা দিতে উড়ল না? কেন আগে থেকেই সেদিন বিমান উড্ডয়নের নিষেধাজ্ঞা দেয়া ছিল? কেন পেন্টাগন কোনো ততপরতা দেখাতে ব্যর্থ হলো! আমেরিকায় যে বড় আকারের নাশকতা হতে যাচ্ছে, তার আগাম সতর্কতা সিআইএ জানালেও কেন তা মোকাবেলার জন্য কিছুই করা হয়নি! কেন প্রেসিডন্ট বুশ ও কন্ডোলিজা রাইস ৯/১১ কমিশনের কাছে মিথ্যা বললেন যে, তারা আগে থেকে কিছুই জানতেন না!
৩. কেন যমজ মিনার ও পেন্টাগনের ধ্বংস্তূপ থেকে উদ্ধার করা ইস্পাত ও বিমানের অবশেষ তড়িঘড়ি করে লোহালক্কড় ডিলারদের কাছে বিক্রির মাধ্যমে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে? এ বিষয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের ২৫ ডিসেম্বর সংখ্যায় নমুনা ধ্বংসের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
৪. যমজ মিনারের পাশে ৭ নং ভবনটিতে বিমানের আঘাত বা আগুন না লাগলেও সেটি কি করে আপনাআপনি ধসে পড়ল! কীভাবেই-বা কমপে ২৫ জন দমকলকর্মী তার আগাম আভাস জানতে পেরেছিলেন (নিউইয়র্ক টাইমস, রাইট)।
৫. টুইন টাওয়ার ধ্বংসের আগের দিন আমেরিকার এক নম্বরর শত্রু ওসামা বিন লাদেন ভর্তি হয়েছিলেন পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি সামরিক হাসপাতালে এবং বুশ প্রশাসনের তা জানা ছিল। পরদিন তাকে আটকের ব্যবস্থা করলেই তো দুনিয়া অনেক রক্তপাত থেকে বেঁচে যেত, আর আফগানিস্তান আক্রমণের প্রয়োজন হতো না। যে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এর কদিন পরই আফগানিস্তানে মার্কিন হামলার সহযোগী হয় সে-ইবা কেন লাদেনকে ধরিয়ে দিল না?
৬. মাইকেল মুর তার তথ্যচিত্র ফারেনহাইট ৯/১১-এ দেখিয়েছেন, টুইন টাওয়ার ধ্বংসের পর যখন আমেরিকার আকাশে সব বিমান চলাচল বল্পব্দ ছিল, ঠিক তখন একটি রহস্যময় বিমান মধ্যপ্রাচ্যের দিকে উড়ে যায়। তাতে ছিল বিন লাদেনের পরিবারের লোকজন।
৭. আমেরিকার আফগানিস্তানে হামলার দুদিন আগে আফগানিস্টøানের তালেবানবিরোধী শক্তিশালী উত্তরাঞ্চলীয় জোটের প্রধান আহমেদ শাহ মাসুদকে অজ্ঞাত আততায়ীরা হত্যা করে। তার জোট এফপি প্রচারিতম এক বিবৃতিতে এর জন্য আইএসআই, তালেবান ও বিন লাদেনকে দায়ি করেন। মাসুদ ছিলেন মার্কিনবিরোধী জাতীয়তাবাদী, জীবিত থাকলে তিনিই হতেন পরবর্তী আফগান সরকারের বৈধ ও মতাবান দাবিদার।
৮. সেপ্টেল্টল্ফ^র ১১ এর আগের দিন অর্থাত দশ তারিখে বিন লাদেন রাওয়ালপিণ্ডিতে সেনা সদর হাসপাতালে চিকিতসা নেন বলে সিবিএস নিউজ জানায়। ততকালীন মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ডোনাল্ড রামসফেল্ড বলেছিলেন যে, তারা লাদেনের অবস্থান বিষয়ে কিছুই জানেন না। প্রশ্ন হচ্ছে ১১ তারিখেই যখন আল কায়েদাকে অভিযুক্ত করা হলো তখন কেন লাদেনকে নাগালে পেয়েও ধরার ব্যবস্থা হলো না?
৯. ১১ সেপ্টেম্বরের ৭ দিন আগে, পাকিস্তানের আইএসআই প্রধান জেনারেল মাহমুদ আহমাদ ওয়াশিংটনে পৌঁছেন এবং সিআইএ প্রধান জর্জ টেনেট এবং কলিন পাওয়েলসহ বুশ প্রশাসনের আরো চার শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন। তার আগের মাসেই এই দলের বেশ কজন পাকিস্তানে গিয়ে জোনারেল মোশাররফ ও জেনারেল মাহমুদসহ বেশ কজন শীর্ষ জেনারেলের সঙ্গে বৈঠক করেন। জেনারেল মাহমুদকে ওয়াশিংটনে আমন্ত্রণকারীদের নিয়েই ১১ সেপ্টেম্বরের পরে জয়েণ্ট-সিনেট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। ঐ মাসেরই শেষদিকে এবিসি নিউজে এফবিআইয়ের একটি রিপোর্টের বরাতে প্রকাশিত হয় যে, জেনারেল মাহমুদই জমজ মিনারে হামলাকারীদের প্রধান মোহাম্মদ আতাকে এক লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন। ১১ সেপ্টেম্বরে সকালে ৯/১১ এর বিমান ছিনতাইকারীদের অভিযুক্ত তহবিলদাতা তিন কংগ্রেসনাল প্রতিনিধির সঙ্গে নাস্তা করেন। ১২ ও ১৩ তারিখে তার সঙ্গে সম্ভাব্য ‘সন্ত্রাসবাদবিরোধী যুদ্ধ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন পাওয়েল, উপ-পরাষ্ট্রমন্তী রিচার্ড আর্মিটেজ প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তির সঙ্গে বৈঠক করেন।
সমস্ত অভিযোগ বলছে, টুইন টাওয়ার ধ্বংস একটি পরিকল্পিত ঘটনা। বিশ্বের সামরিকায়ন আর মধ্যপ্রাচ্যের তেল দখল, আর আফগানিস্তানের ভেতর দিয়ে তেলের পাইপ বসানোর জন্য আমেরিকার দরকার ছিল একটি যুব্দ। টুইন টাওয়ার ধ্বংসই সেই অজুহাত। পেন্টাগনে একটি সদ্য প্রকাশিত দলিল বলছে, ইরাক ও আফগানিস্তানে হামলার পরিকল্কপ্পনা টুইন টাওয়ার ট্র্যাজেডির অনেক আগেই প্রণীত হয়েছিল। সেই তালিকার তিনটি দেশ আক্রমণ হয়েছে। আফগানিস্তা, ইরাক, লেবানন। তালিকার বাকি দেশ হলোÑ ইরান, সিরিয়া ও সুদান। ইরান আমণের সম্ভাবনা দিন দিন প্রবল হচ্ছে। পৃথিবী এখন আরো কয়েকটি আঞ্চলিক ও বিপর্যয়কর মিথ্যা যুদ্ধ সম্ভাবনার মুখে।
৮
ধন্যবাদ। আমার ধারণার চেয়ে বেশি মানুষ এ বিষয়ে জানে দেখে ভাল লাগছে। আপনার লেখা থেকেও অনেক তথ্য পেলাম। যমজ মিনার - দারুন অনুবাদ!
দেশে ডিভিডি কি পাওয়া যায়? কোথায়?
কারো কাছে ডাউনলোড করা থাকলেও একটু আওয়াজ দিয়েন। ইউ.এস.বি. মেমরিতে নিয়ে আসবো। দেশে ডাউনলোড বিরক্তিকর - গতি এবং লোডশেডিং-এর কারণে।
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
৯
অন্য কিছু ডিভিডি আছে, সেগুলো হয়েতো আপনি দেখেছেন। দেখি পাই কিনা, পেলে আপনাকে মেসেজ করে জানাবো।
১০
এই তাপমাত্রা আর ইস্পাত 'গলে' যাওয়ার ব্যাপারে একটু ছোট্ট করে নাক গলাই -- আসলে ইস্পাত গলার দরকার নেই, এখানে ইস্পাতের "ইল্ড স্ট্রেস"-টাই বেশী গুরুত্বপূর্ণ। আর এই প্রপার্টিটা তাপমাত্রার উপর ভয়ানকভাবে নির্ভর করে, মানে স্ট্রাকচারাল স্টিলের ক্ষেত্রে যতদূর মনে পড়ে সাড়ে সাতশো সেলসিয়াসের উপরে (মোটামুটি ১৪০০ ফারেনহাইট) এটা দুম করে ফল করে। আরেকটু টেকনিকাল কচকচিতে গেলে বলতে হয় ক্রিপ/ফ্যাটিগ ইত্যাদি জিনিসের জন্য এরও অনেক কম তাপমাত্রাতেই স্টিল প্র্যাকটিকালি কোনও কাজেরই থাকে না। এজন্য উঁচু তাপমাত্রায় সাধারণতঃ সুপারঅ্যালয় জাতীয় জিনিস ব্যবহার করা হয়, যেটার করার চান্স এক্ষেত্রে কম বলেই মনে হয়।
১১
Yield stress এর ব্যাপারটা ঠিক আছে - কিন্তু সেক্ষেত্রে তো yielding হওয়ার কথা ... অর্থাৎ আস্তে আস্তে লম্বা হবে তারপর strain hardening হবে তারপর যথেষ্ট warning sign দেখানোর পরে fail করবে। এভাবে হঠাৎ করে shear failure এর মত হুড়মুড় করে ভেঙ্গে পড়বে না। অন্ততপক্ষে একটা বা দুইটা ফ্লোর ভেঙ্গে পড়ার আগে বেঁকে ঝুলে পড়বে, তারপরের তলাগুলো গুলো উপরের ভেঙ্গে পড়া ফ্লোরের আঘাতে shear failure হতে পারে। তারপরেও পুরা ভবন ভেঙ্গে পড়তে অনেক বেশি সময় লাগার কথা।
এই yielding property-র কারণেই তো reinforced concrete ডিজাইনের সময় moment failure (steel) ধরে করা হয়; concrete বা reinforcement (mild steel)- এর shear failure ধরে নকশা করা হয় না।
তাপের প্রভাবে ভবনের ইস্পাত yield করে যাচ্ছে অথচ ঐ তাপমাত্রায় ভেতরের লোকগুলোর কিছু হচ্ছে না ... দিব্যি জানালা থেকে হাত নাড়ছে ... ... ... ... ব্যাপারটা একটু ভৌতিক হয়ে যায় না!
এছাড়া একেবারে কেন্দ্রে সুষমভাবে ভেঙ্গে পড়াটা খুবই অস্বাভাবিক - বিমান তো আর ঠিক কেন্দ্রে আঘাত করেনি ... তাই তেল ছড়ানোটাও asymmetric হবে। অন্ততপক্ষে পরপর ৩টি ভবনের ক্ষেত্রে তো পরিসংখ্যানগত ভাবে অসম্ভব।
আর, ফারুক ওয়াসিফ ভাই ইতিমধ্যেই বলেছেন, বিল্ডিং-৭ এ কোন অগ্নিকান্ড ঘটেনি। yielding হবে কিভাবে ... ...
টেকনিক্যাল আরো কোন ব্যাপার থাকলে নির্দ্বিধায় বলতে (লিখতে) পারেন। বুঝতে পারবো বলে আশা করি। বর্তমানে পরিবেশ প্রকৌশলী হলেও আগে বি.এস.সি. ইঞ্জি.-এ স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং মেজর ছিল ...
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
১২
ঠিক, ইল্ড করলে লম্বা হবে, কিন্তু ঠিক কতটা, আর কত আস্তে বা তাড়াতাড়ি সেটা বলা মুশকিল। অবশ্যই এটা স্টিলের ডাকটিলিটি, স্ট্রেইন রেইট সেনসিটিভিটি, রিয়্যাল লোডিং রেইট, স্ট্রাকচারাল কানেকটিভিটি এসবের উপর ডিপেন্ড করবে। কিন্তু যতদূর জানি মডেলিং এখনও এই সমস্ত জিনিসকে (প্লাস্টিসিটি/ডাইনামিক ফেইলিওর) একসাথে "ঠিকভাবে" ইনক্লুড করার মত জায়গায় যায় নি।নিস্ট-এর সাইটে প্রচুর তথ্য আছে দেখছি, আর এখানে এবং অন্যত্র ওঠা কিছু প্রশ্নের জবাবও তারা দিচ্ছে; কিন্তু পুরোটা না বুঝে কিছু বলি কি করে? তবে বিষয়টা নিয়ে আগ্রহ জাগিয়ে তোলার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
১৩
টেকনিক্যাল দিকটা আসলেই জরুরী। এদিকে মনযোগ দেয়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।
তবে সুশীল সমাজ আমেরিকাতেও আছে - এইটা মাথায় রেখেই বিশ্লেষণগুলো দেখতে হবে।
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
১৪
এর অর্থ কী এটা করা যায় যে, তাপের জন্যই গলেছে? এবং তা ঘটেছে ১০০ বছরের স্টিল-মেড বিল্ডিংয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এবং একদিনেই তিনটা ভবনের বেলায়? যার তৃতীয়টিতে আবার কোনো আকাশচারি কিছুই আছড়ে পড়েনি?
আমি ঐ যুক্তিটি নিয়েছিলাম আমেরিকার স্থপতিদের জাতীয় সংগঠনের বক্তব্য থেকে। লিংকটি এখানে দিতে পারছি না, (পরে দেয়া যায়)। তবে তাপে ভবনধসের বিষয়ে এখানে কিছু বিশেষজ্ঞ মত রয়েছে।
http://www.garlicandgrass.org/issue6/Dave_Heller.cfm
এবং এখানে
http://911review.com/articles/index.html
এবং এখানে:
http://www.911truth.org/article.php?story=20050827011535140
১৬
DVD কেনা যায় এখান থেকে, তবে সেটা দেশে না। ![]()
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
১৭
এই পোস্ট আর ফারুক ওয়াসিফ ভাইয়ের মন্তব্য পড়ে সন্দেহটা আরো শক্ত হল।
দুর্ভাগ্য - চক্রান্তকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেল! মাঝে অগণিত নিস্পাপ মানুষ প্রাণ হারাল।
১৮
মোট ৭টি বিল্ডিং-এর মধ্যে শুধুমাত্র ঐ তিনটিই একজন মালিকের লিজ নেয়া ছিল। এবং মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই ঐ তিনটি বিল্ডিং-এর নিরাপত্তার জন্য প্রায় আড়াই বিলিওন ডলারের ইন্সুরেন্স করা হয়েছিল যার মধ্যে সন্ত্রাসী হামলার একটা বিশেষ ধারা/অনুচ্ছেদ ছিল।
২০
Loose Change আমার কাছেই ছিল। খুবই অসাধারণ। তবে এখন ঠিক মনে নাই ডিলিট করে দিয়েছি কিনা। আমি চেক করে আপনাকে জানাব পরে।
২১
৯/১১ যে বুশ-প্রশাসন এর পরিকল্পনা তা বিভিন্ন সূত্রের প্রপাগান্ডা মনে করেছিলাম তবে তা অসম্ভব মনে করিনি। কিন্তু এত অকাট্য যুক্তি প্রমাণ আছে তা জেনে খুব উপকৃত হলাম। আর যুক্তিগুলো এত স্বাভাবিক ও সহজ যে ভেবে অবাক হচ্ছি, আমেরিকার তথাকথিত সভ্য -সচেতন নাগরিক এসব যুক্তি-প্রমাণ, বুশ প্রশাসনের মিথ্যাচার, ধাপ্পাবাজি হজম করছে কি করে? নাকি পুরো ঘটনাটিকে তাদের জাতীয় স্বার্থ এবং বিশ্বব্যাপী মোড়লীপনার জন্য সহায়ক বলে চুপ মেরে আছে ?
ধন্যবাদ শামীম, ফারুক, শুভ্রদীপ কে তাদের গভীর আলোচনার জন্য । তবে সহজ কোন উপায়ে ভিডিও টা পেলে ভালো হয়।
২২
"আমেরিকার তথাকথিত সভ্য -সচেতন নাগরিক এসব যুক্তি-প্রমাণ, বুশ প্রশাসনের মিথ্যাচার, ধাপ্পাবাজি হজম করছে কি করে? নাকি পুরো ঘটনাটিকে তাদের জাতীয় স্বার্থ এবং বিশ্বব্যাপী মোড়লীপনার জন্য সহায়ক বলে চুপ মেরে আছে ?"
আমিও ভেবে অবাক হই। কেন সবাই এখনো চুপ হয়ে আছে?
------------------------------------
সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে !
২৩
Loose Change এখনও পাইনি। তবে আমি যে অংশটার জন্য খুঁজতেছিলাম সেটা সম্বলিত অন্য একটা পেয়েছি - শুধুমাত্র টুইন টাওয়ার WTC এর উপরে।
ওটা দেখার পর বুঝলাম যে আমার উপরের লেখায় কিছু তথ্যগত এদিক সেদিক আছে নাম এবং সংখ্যার ব্যাপারে - আগেরবার বছরখানেক আগে দেখেছিলাম বলে অনিচ্ছাকৃতভাবে স্মৃতি প্রতারণা করেছে: আন্তরিকভাবে দূঃখিত এজন্য।
গতরাতে ডাউনলোড করেছি মোট ১৪১ মে.বা. ৩টি ফাইলে ভাগ করা। কেউ চাইলে নিতে পারেন পেনড্রাইভ/সিডিতে। (ভাইরাসের ভয় নাই - আমি উবুন্টু ব্যবহার করি)
ডাউনলোড লিংক পাবেন এখানে: http://www.question911.com/linksall.htm
তিনটা লিংক আছে তবে সেগুলো ডাউনলোড লিংক না। ডাউনলোড করার জন্য ঐ লিংকগুলোর পৃষ্ঠায় যেতে হয়।
911 Mysteries Part 1 Demolitions 1of3 (WMV 47megs)
911 Mysteries Part 1 Demolitions 2of3 (WMV 47megs)
911 Mysteries Part 1 Demolitions 3of3 (WMV 47megs)
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
২৪
ঢাকার বাজারে এ বিষয়ে একটা ডিভিডি পেয়েছি এবং কিনেছি কিন্তু এখনও দেখিনি। সেটা হল: 911 in plane site.
এটা অস্ট্রেলিয়ার নেটওয়র্ক ১০ এবং নিউজিল্যান্ডের একটা টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছিল - এর উপরে একটা রিভিউ/খবর দেখতে পারেন এখানে।
পৃথিবীর বেশ কিছু জায়গায় এই ধরণের রাষ্ট্রীয় ধামাচাপা দেয়ার খবর ফাঁস করা প্রামান্য চিত্র প্রকাশ করায় লোকজন চাকুরী হারিয়েছে।
পূর্বের মন্তব্যের লিংকে এই ধামাচাপা ফাঁস করে দেয়া আরও অনেক প্রামান্
১
ভিডিওটা এমবেড করে দেওয়া হল..
http://rapidshare.com/files/69650473/lcfcavi.N.part1.rar
http://rapidshare.com/files/69651746/lcfcavi.N.part2.rar
http://rapidshare.com/files/69709219/lcfcavi.N.part3.rar
http://rapidshare.com/files/69710888/lcfcavi.N.part4.rar
http://rapidshare.com/files/69713474/lcfcavi.N.part5.rar
http://rapidshare.com/files/69716771/lcfcavi.N.part6.rar
http://rapidshare.com/files/69720542/lcfcavi.N.part7.rar
http://rapidshare.com/files/69722072/lcfcavi.N.part8.rar